Test Footer 2

Showing posts with label ফটোগ্রাফি. Show all posts

DSLR কিনতে সাবধান!


DSLR কিনতে সাবধান!,  DSLR কিনতে সাবধান!

ফটোগ্রাফি এখন অনেক বড়সড় একটা শখ। আর ফটোগ্রাফির জন্য দরকার ক্যামেরা। আর একটু প্রফেশনাল লেভেলে ফটোগ্রাফি করতে গেলে DSLR ক্যামেরা ছাড়া কিছু ভাবাই যায় না। আমাদের দেশে DSLR এখন অনেক সহজ্লভ্য হয়ে গেছে আর মানুষও কিনছে ধুমসে। আর এরই সুযোগ নিয়ে কোথা থেকে জানি উদ্ভব হয়েছে কিছু অসাধু ইলেক্ট্রনিক্স ব্যবসায়ী। তারা কিভাবে মানুষকে ঠকাচ্ছে? 



খুব সহজ! আপনাকে ধরিয়ে দেবে পুরানো ক্যামেরার বডি আর লেন্স। এভাবে অনেক প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারও ধরা খেয়ে যায়। আর লেন্সের ব্যাপারটা হলো – অনেক ক্যামেরা ব্যবসায়ী আছে যারা লেন্স ভাড়া দেন। অনেকদিন ভাড়া দেয়ার পর তারা সেই লেন্সগুলো নতুন বলে ক্রেতার কাছে বিক্রি করে দেন। অরিজিনাল প্যাকেজিং বা একেবারে ইন্টেক্ট প্যাকেজিং এ ক্যামেরা পাওয়া দুস্কর কিন্তু বিক্রেতারা আপনাকে বোঝাবে “ভাই এগুলো লাগেজ প্রোডাক্ট, প্যাকেট ছাড়া আসে”। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সত্যি হলেও অনেকেই ফাদে পড়ে যান পুরানো ক্যামেরা কিনতে গিয়ে। কারন ক্যামেরার শাটার কাউন্ট হিসেব করা অন্তত দোকানে সম্ভব না। আর অনেকেই জানেন না কিভাবে কি করতে হয়। আর নব্য ফটোগ্রাফাররাই এর শিকার বেশী হয়। আর ভাড়ায় দেয়া লেন্স বা ক্যামেরার বডি বিক্রি করা এখন অত্যাধিক পরিমানে বেড়ে গেছে। আবার একটু ভাল দোকানে গেলে দেখা যায় যে ক্যামেরার দাম ৫০,০০০ হাজার টাকা সেটি ১৫ হাজার টাকা বেশী দামে বিক্রয় হচ্ছে আর এক এক দোকানে এক এক রকম দাম। আসলে যার যেমন খুশী সে তেমন দামে বিক্রি করে। কোন নিয়ম নীতির বালাই নেই।

ক্যামেরা কেনার সময় অবশ্যই চেষ্টা করবেন একেবারে সিল করা প্যাকেটে ক্যামেরা নেয়ার জন্য আর লেন্স কেনার ক্ষেত্রে আরও ভাল ভাবে দেখে নিবেন লেন্সের জয়েন্টে কোন ধরনের দাগ আছে কিনা। আর মোটামুটি সব ক্যামেরাই ২/১ টা কিট লেন্স সহ প্যাকেজে আসে কিন্তু দেশের কিছু ব্যবসায়ী সেই কিটলেন্সগুলোও আলাদা করে বিক্রি করে কিছু বাড়তি টাকা হাতিয়ে নেয়। বিশেষ করে 18-55mm লেন্সটি বেশীরভাগ ক্যামেরার সাথে কিট লেন্স বা প্যাকেজ হিসেবে আসে। অনেক সময় একটা জুম ম্যাক্র লেন্সও থাকে স্ট্যান্ডাডর্ প্রাইজে। আর ভাড়ায় দেয়া প্রাইম লেন্সগুলো কিনে ঠকবেন না দয়া করে।
, প্যাকেট ছাড়া আসে”। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সত্যি হলেও অনেকেই ফাদে পড়ে যান পুরানো ক্যামেরা কিনতে গিয়ে। কারন ক্যামেরার শাটার কাউন্ট হিসেব করা অন্তত দোকানে সম্ভব না। আর অনেকেই জানেন না কিভাবে কি করতে হয়। আর নব্য ফটোগ্রাফাররাই এর শিকার বেশী হয়। আর ভাড়ায় দেয়া লেন্স বা ক্যামেরার বডি বিক্রি করা এখন অত্যাধিক পরিমানে বেড়ে গেছে। আবার একটু ভাল দোকানে গেলে দেখা যায় যে ক্যামেরার দাম ৫০,০০০ হাজার টাকা সেটি ১৫ হাজার টাকা বেশী দামে বিক্রয় হচ্ছে আর এক এক দোকানে এক এক রকম দাম। আসলে যার যেমন খুশী সে তেমন দামে বিক্রি করে। কোন নিয়ম নীতির বালাই নেই।
ক্যামেরা কেনার সময় অবশ্যই চেষ্টা করবেন একেবারে সিল করা প্যাকেটে ক্যামেরা নেয়ার জন্য আর লেন্স কেনার ক্ষেত্রে আরও ভাল ভাবে দেখে নিবেন লেন্সের জয়েন্টে কোন ধরনের দাগ আছে কিনা। আর মোটামুটি সব ক্যামেরাই ২/১ টা কিট লেন্স সহ প্যাকেজে আসে কিন্তু দেশের কিছু ব্যবসায়ী সেই কিটলেন্সগুলোও আলাদা করে বিক্রি করে কিছু বাড়তি টাকা হাতিয়ে নেয়। বিশেষ করে 18-55mm লেন্সটি বেশীরভাগ ক্যামেরার সাথে কিট লেন্স বা প্যাকেজ হিসেবে আসে। অনেক সময় একটা জুম ম্যাক্র লেন্সও থাকে স্ট্যান্ডাডর্ প্রাইজে। আর ভাড়ায় দেয়া প্রাইম লেন্সগুলো কিনে ঠকবেন না দয়া করে।
- See more at: http://black-iz.com/wp/2014/06/24/dslr-%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/#sthash.ciKnmW1B.dpuf
, প্যাকেট ছাড়া আসে”। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সত্যি হলেও অনেকেই ফাদে পড়ে যান পুরানো ক্যামেরা কিনতে গিয়ে। কারন ক্যামেরার শাটার কাউন্ট হিসেব করা অন্তত দোকানে সম্ভব না। আর অনেকেই জানেন না কিভাবে কি করতে হয়। আর নব্য ফটোগ্রাফাররাই এর শিকার বেশী হয়। আর ভাড়ায় দেয়া লেন্স বা ক্যামেরার বডি বিক্রি করা এখন অত্যাধিক পরিমানে বেড়ে গেছে। আবার একটু ভাল দোকানে গেলে দেখা যায় যে ক্যামেরার দাম ৫০,০০০ হাজার টাকা সেটি ১৫ হাজার টাকা বেশী দামে বিক্রয় হচ্ছে আর এক এক দোকানে এক এক রকম দাম। আসলে যার যেমন খুশী সে তেমন দামে বিক্রি করে। কোন নিয়ম নীতির বালাই নেই।
ক্যামেরা কেনার সময় অবশ্যই চেষ্টা করবেন একেবারে সিল করা প্যাকেটে ক্যামেরা নেয়ার জন্য আর লেন্স কেনার ক্ষেত্রে আরও ভাল ভাবে দেখে নিবেন লেন্সের জয়েন্টে কোন ধরনের দাগ আছে কিনা। আর মোটামুটি সব ক্যামেরাই ২/১ টা কিট লেন্স সহ প্যাকেজে আসে কিন্তু দেশের কিছু ব্যবসায়ী সেই কিটলেন্সগুলোও আলাদা করে বিক্রি করে কিছু বাড়তি টাকা হাতিয়ে নেয়। বিশেষ করে 18-55mm লেন্সটি বেশীরভাগ ক্যামেরার সাথে কিট লেন্স বা প্যাকেজ হিসেবে আসে। অনেক সময় একটা জুম ম্যাক্র লেন্সও থাকে স্ট্যান্ডাডর্ প্রাইজে। আর ভাড়ায় দেয়া প্রাইম লেন্সগুলো কিনে ঠকবেন না দয়া করে।
- See more at: http://black-iz.com/wp/2014/06/24/dslr-%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/#sthash.ciKnmW1B.dpuf
, প্যাকেট ছাড়া আসে”। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সত্যি হলেও অনেকেই ফাদে পড়ে যান পুরানো ক্যামেরা কিনতে গিয়ে। কারন ক্যামেরার শাটার কাউন্ট হিসেব করা অন্তত দোকানে সম্ভব না। আর অনেকেই জানেন না কিভাবে কি করতে হয়। আর নব্য ফটোগ্রাফাররাই এর শিকার বেশী হয়। আর ভাড়ায় দেয়া লেন্স বা ক্যামেরার বডি বিক্রি করা এখন অত্যাধিক পরিমানে বেড়ে গেছে। আবার একটু ভাল দোকানে গেলে দেখা যায় যে ক্যামেরার দাম ৫০,০০০ হাজার টাকা সেটি ১৫ হাজার টাকা বেশী দামে বিক্রয় হচ্ছে আর এক এক দোকানে এক এক রকম দাম। আসলে যার যেমন খুশী সে তেমন দামে বিক্রি করে। কোন নিয়ম নীতির বালাই নেই।
ক্যামেরা কেনার সময় অবশ্যই চেষ্টা করবেন একেবারে সিল করা প্যাকেটে ক্যামেরা নেয়ার জন্য আর লেন্স কেনার ক্ষেত্রে আরও ভাল ভাবে দেখে নিবেন লেন্সের জয়েন্টে কোন ধরনের দাগ আছে কিনা। আর মোটামুটি সব ক্যামেরাই ২/১ টা কিট লেন্স সহ প্যাকেজে আসে কিন্তু দেশের কিছু ব্যবসায়ী সেই কিটলেন্সগুলোও আলাদা করে বিক্রি করে কিছু বাড়তি টাকা হাতিয়ে নেয়। বিশেষ করে 18-55mm লেন্সটি বেশীরভাগ ক্যামেরার সাথে কিট লেন্স বা প্যাকেজ হিসেবে আসে। অনেক সময় একটা জুম ম্যাক্র লেন্সও থাকে স্ট্যান্ডাডর্ প্রাইজে। আর ভাড়ায় দেয়া প্রাইম লেন্সগুলো কিনে ঠকবেন না দয়া করে।
- See more at: http://black-iz.com/wp/2014/06/24/dslr-%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/#sthash.ciKnmW1B.dpuf
, প্যাকেট ছাড়া আসে”। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সত্যি হলেও অনেকেই ফাদে পড়ে যান পুরানো ক্যামেরা কিনতে গিয়ে। কারন ক্যামেরার শাটার কাউন্ট হিসেব করা অন্তত দোকানে সম্ভব না। আর অনেকেই জানেন না কিভাবে কি করতে হয়। আর নব্য ফটোগ্রাফাররাই এর শিকার বেশী হয়। আর ভাড়ায় দেয়া লেন্স বা ক্যামেরার বডি বিক্রি করা এখন অত্যাধিক পরিমানে বেড়ে গেছে। আবার একটু ভাল দোকানে গেলে দেখা যায় যে ক্যামেরার দাম ৫০,০০০ হাজার টাকা সেটি ১৫ হাজার টাকা বেশী দামে বিক্রয় হচ্ছে আর এক এক দোকানে এক এক রকম দাম। আসলে যার যেমন খুশী সে তেমন দামে বিক্রি করে। কোন নিয়ম নীতির বালাই নেই।
ক্যামেরা কেনার সময় অবশ্যই চেষ্টা করবেন একেবারে সিল করা প্যাকেটে ক্যামেরা নেয়ার জন্য আর লেন্স কেনার ক্ষেত্রে আরও ভাল ভাবে দেখে নিবেন লেন্সের জয়েন্টে কোন ধরনের দাগ আছে কিনা। আর মোটামুটি সব ক্যামেরাই ২/১ টা কিট লেন্স সহ প্যাকেজে আসে কিন্তু দেশের কিছু ব্যবসায়ী সেই কিটলেন্সগুলোও আলাদা করে বিক্রি করে কিছু বাড়তি টাকা হাতিয়ে নেয়। বিশেষ করে 18-55mm লেন্সটি বেশীরভাগ ক্যামেরার সাথে কিট লেন্স বা প্যাকেজ হিসেবে আসে। অনেক সময় একটা জুম ম্যাক্র লেন্সও থাকে স্ট্যান্ডাডর্ প্রাইজে। আর ভাড়ায় দেয়া প্রাইম লেন্সগুলো কিনে ঠকবেন না দয়া করে।
- See more at: http://black-iz.com/wp/2014/06/24/dslr-%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/#sthash.ciKnmW1B.dpuf
, প্যাকেট ছাড়া আসে”। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সত্যি হলেও অনেকেই ফাদে পড়ে যান পুরানো ক্যামেরা কিনতে গিয়ে। কারন ক্যামেরার শাটার কাউন্ট হিসেব করা অন্তত দোকানে সম্ভব না। আর অনেকেই জানেন না কিভাবে কি করতে হয়। আর নব্য ফটোগ্রাফাররাই এর শিকার বেশী হয়। আর ভাড়ায় দেয়া লেন্স বা ক্যামেরার বডি বিক্রি করা এখন অত্যাধিক পরিমানে বেড়ে গেছে। আবার একটু ভাল দোকানে গেলে দেখা যায় যে ক্যামেরার দাম ৫০,০০০ হাজার টাকা সেটি ১৫ হাজার টাকা বেশী দামে বিক্রয় হচ্ছে আর এক এক দোকানে এক এক রকম দাম। আসলে যার যেমন খুশী সে তেমন দামে বিক্রি করে। কোন নিয়ম নীতির বালাই নেই।
ক্যামেরা কেনার সময় অবশ্যই চেষ্টা করবেন একেবারে সিল করা প্যাকেটে ক্যামেরা নেয়ার জন্য আর লেন্স কেনার ক্ষেত্রে আরও ভাল ভাবে দেখে নিবেন লেন্সের জয়েন্টে কোন ধরনের দাগ আছে কিনা। আর মোটামুটি সব ক্যামেরাই ২/১ টা কিট লেন্স সহ প্যাকেজে আসে কিন্তু দেশের কিছু ব্যবসায়ী সেই কিটলেন্সগুলোও আলাদা করে বিক্রি করে কিছু বাড়তি টাকা হাতিয়ে নেয়। বিশেষ করে 18-55mm লেন্সটি বেশীরভাগ ক্যামেরার সাথে কিট লেন্স বা প্যাকেজ হিসেবে আসে। অনেক সময় একটা জুম ম্যাক্র লেন্সও থাকে স্ট্যান্ডাডর্ প্রাইজে। আর ভাড়ায় দেয়া প্রাইম লেন্সগুলো কিনে ঠকবেন না দয়া করে।
- See more at: http://black-iz.com/wp/2014/06/24/dslr-%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/#sthash.ciKnmW1B.dpuf

ফটোগ্রাফিতে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ !

ফটোগ্রাফিতে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ !

এই মুহুর্তে দেশের অন্যতম সেরা ক্রেজ হলো ফটোগ্রাফি। তরুন প্রজন্ম ঝুকছে ফটোগ্রাফির নেশায়। সহজলভ্য ক্যামেরা এবং সৃজনশীলতা বাংলাদেশের ফটোগ্রাফিকে দিয়েছে এক অন্যরকম রুপ। আগে বিদেশী ফটোগ্রাফারদের তোলা ছবি দেখেই দিন কাটিয়ে দিতে হতো কিন্তু এখন দেশীয় ফটোগ্রাফারের ছবিতে পরিপুনর্ থাকে সামাজিক নেটওয়ার্ক। আর বাংলাদেশেরই অনেক ফটোগ্রাফার ইতিমধ্যে পেয়েছেন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এগুলো সবই ভাল দিক। আর ফটোগ্রাফি হতে পারে নিজের সৃজনশীলতা প্রকাশের একটি উল্লেখযোগ্য মাধ্যম। আর এই ফটোগ্রাফিকে করা যেতে পারে অনেক বড় একটি পেশা। আর অনেকেই হয়তো লক্ষ্য করেছেন অনেকেই আজকাল নির্দ্দ্বিধায় ফটোগ্রাফিকে বেছে নিচ্ছে নিজের পেশা হিসেবে।

তবে পরিপক্কভাবে যদি ফটোগ্রাফিকে একমাত্র পেশা হিসেবে বেছে নেয়া হয় তবে এই ব্যাপারে কিছু জ্ঞান থাকার মুল্য অপরিসীম। বাংলাদেশে এর মধ্যেই ফটোগ্রাফি নিয়ে খুলে গিয়েছে অপার সম্ভাবনার দ্বার। ফ্যাশন ফটোগ্রাফি, ওয়েডিং ফটোগ্রাফি, স্ট্রিট ফটোগ্রাফি, ফটো স্টোরি – এগুলো ফটোগ্রাফির কিছু রুপ মাত্র। প্রতিনিয়ত হচ্ছে নানা রকমের এক্সিবিশন আর নানা রকম প্রতিযোগিতা। এমনকি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায়ও কোনভাবে পিছিয়ে নেই আমাদের দেশের ফটোগ্রাফিরা আর তার জন্য তাদের যেতে হচ্ছে দেশের বাইরে। আমাদের দেশের ছবি নিয়ে আসছে বড় বড় সব পুরস্কার। আর ইন্টারনেটের এই যুগে আন্তর্জাতিক এসব ফটোগ্রাফিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করা কোন ব্যাপারই না। ন্যাশনাল জিওগ্রাফী বা 500px এর মত নামকরা সংস্থাগুলো প্রতিনিয়ত আয়োজন করে যাচ্ছে নানা রকম প্রতিযোগিতার আর এসব প্রতিযোগিতায় অনলাইনেই অংশগ্রহন করা যায় এবং বেশীরভাগ সময়ে কোন ধরনের খরচ হয় না। সেই সাথে পালা দিয়ে দেশেও হচ্ছে নানা রকম ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা। নানা বড় বড় প্রতিষ্ঠান ইদানীং স্পন্সর করতে রাজী হচ্ছে নানা রকমের এক্সিবিশন আর প্রতিযোগিতা। 

ফটোগ্রাফি ব্যাপারটাই হলো পুরোটা নিজের উপর বিশেষ করে নিজস্ব সৃজনশীলতার উপরে। একটা ক্যামেরা আর দেখার মত এক জোড়া চোখ – ফটোগ্রাফিতে আর তেমন কিছুই দরকার হয় না। ফ্রেমিং ব্যাপারটাই আসলে মুল জিনিষ এই ফটোগ্রাফিতে। ফ্রেমিং এর পরে আসে লাইটিং, সাবজেক্ট, ফটো স্টোরি ইত্যাদি। আমার মতে প্রতিটি ছবির থাকা উচিত একটা আলাদা গল্প।

ফটোগ্রাফি যখন পেশাঃ

ফটোগ্রাফি কিভাবে আপনার পেশা হতে পারে? অনেক ধরনের পেশাই হতে পারে একটি ক্যামেরা হাতে নিয়ে। তবে সাথে থাকতে হবে পর্যাপ্ত জ্ঞান এবং সৃজনশীলতা। যেমন ওয়েডিং ফটোগ্রাফি এই মুহুর্তে বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় একটি পেশায় পরিণত হচ্ছে। আর এই ওয়েডিং ফটোগ্রাফি করে শুরুতে মাসে ২৫-৫০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে একটি পর্যায়ে গিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করা খুব একটা কঠিন ব্যাপার হবে না। যদি ফটোগ্রাফিক স্কিল ভাল থাকে আর নিজের সুনাম বজায় রাখতে পারেন তাহলে অচিরেই পৌছে যেতে পারেন সেই লক্ষ্যে।

ওয়েডিং ফটোগ্রাফির পরে আসে ফটো জার্নালিজম আর থিম ফটোগ্রাফি। এরপর আসতে পারে স্ট্রিট ফটোগ্রাফি। এমনকি অনলাইনে নিজের তোলা অসাধারন ছবিগুলো বিক্রি করা যায় অনায়াসেই। একটি ইউনিক ছবি সবারই পছন্দ আর ইন্টারনেটের বদৌলতে আপনার তোলা অসাধারন সব ছবি অনায়াসেই পৌছে যায় মানুষের কাছে। অনেক ওয়েবসাইট বাধাই করে এসব ছবি বিক্রি করে নানা ক্রেতার কাছে বেশ ভাল দামে। ফটোগ্রাফারদের উচিত বেশী করে আন্তর্জাতিক ফটোগ্রাফিক প্রতিযোগিতাগুলোতে অংশগ্রহন করা। আর সবাই করছেও। কয়েকটি ভাল এক্সপোজিউর থাকলে এই পেশায় সাফল্যের শিখরে পৌছে যাওয়া কোন ব্যাপারই না।

এসবের পরেই আসে ফ্যাশন ফটোগ্রাফি এবং প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি। ফ্যাশন ফটোগ্রাফির কথা আর না বললেও চলবে কারন আপনারা ইতিমধ্যে সবই জানেন আর প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি হলো নানা রকম পন্যের ফটোগ্রাফি। সেটি কোন প্রতিষ্ঠানের পন্যের হতে শুরু করে অনলাইন শপ এর পন্যের জন্য হতে পারে কোন ছবি। নতুন নতুন পন্য গুলো সবচেয়ে ভাল অবস্থায় সবার সামনে তুলে ধরাই প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি। এগুলোর পরেও আরো থাকে ইভেন্ট ফটোগ্রাফি এবং অন্যান্য। মোট কথা এই পেশার বিশালত্ব অনেক বড়। কিন্তু তার জন্য থাকতে হবে বিশেষ কিছু জ্ঞান। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ডিগ্রীর দরকার না থাকলেও কিছু বেসিক ব্যাপার থাকে যেগুলো না জানলেই নয়। টেকনিক্যাল এসব ব্যাপার যদি ঠিক মত জানা থাকে আর সেই সাথে যতি অভিজ্ঞ কারো কাছ থেকে কিছু টিপস পাওয়া যায়, তাহলে আপনিও হয়ে উঠ্তে পারেন একজন পাকাপোক্ত ফটোগ্রাফার।